দেশের উন্নয়ন করতে হলে আগে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রয়োজন -রেলপথ মন্ত্রী

0
21

নিউজ বিডি ডটনেট:  রেলপথ মন্ত্রী মো. মুজিবুল হক এমপি বলেছেন, ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত খুলনা-কলকাতা রুটে ট্রেন সার্ভিস চালু ছিল। পরবর্তীতে অন্যান্য সরকার ক্ষমতায় আসলে তারা এই রেলপথটি বন্ধকরে দেয়। আমাদের প্রিয় নেত্রী জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তরকারী একটি সিদ্ধান্তের ফলে ৪৩ বছর পর আবার চালু হলো কলকাতা-খুলনার মধ্যে ট্রেন চলাচল।মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের উন্নয়ন করতে হলে আগে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রয়োজন। সে বিষয়টি মাথায় রেখে জননেত্রী শেখ হাসিনা একের পর এক যোগাযাগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করে যাচ্ছেন। আজ উদ্বোধন হলো বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে দ্বিতীয় মৈত্রী ট্রেন। এখন এ পথে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক, চিকিৎসা ও ভ্রমণের কাজে যাতায়াতকারীরা উপকৃত হবেন। পাশাপাশি দুই দেশের মানুষের মধ্যে বন্ধুত্বে বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে।’‘বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এগিয়ে যাবে যতপ্রকার ষড়যন্ত্রই হোকনা কেন জননেত্রীর উন্নয়নকে কেউ ইনশাআল্লাহ বাধাগ্রস্থ করতে পারবেনা। বাংলাদেশ রেলওয়ে ব্যবস্থা দিন দিন উন্নত বিশ্বের রেলওয়ে ব্যবস্থার ন্যায় উন্নত হচ্ছে যা বাংলাদেশের ইতিহাসে কোন দিন হয়নি।’৮ এপ্রিল বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে খুলনা-কোলকাতা রুটে দ্বিতীয় মৈত্রী এবং বিরল-রাধিকাপুর রুটে পণ্য পরিবহনের লক্ষে ট্রেন চলাচল উদ্ভোধন করেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলাদেশ অংশ উদ্ভোধন শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন রেলপথ মন্ত্রী।বাংলাদেশ ও ভারতের দুই প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর পরীক্ষামূলকভাবে চালু খুলনা-কলকাতা ট্রেন ‘মৈত্রী এক্সপ্রেস-২’ বেনাপোল ছেড়ে গেছে। শনিবার বেলা ১টা ৫৪ মিনিটে দিল্লি থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেদ্র মোদী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ট্রেন সার্ভিস উদ্বোধন করেন। ওই সময় সেখানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ অংশে রেলপথমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক এমপি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন  জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, রেল মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান, স্থানীয় সাংসদ শেখ আফিল উদ্দিন, সাংসদ সদস্য স্বপন ভট্টাচার্য, পৌর মেয়র আশরাফুল আলম, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আমজাদ হোসেন, অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক হাবিবুর রহমান, পশ্চিমাঞ্চলীয় জিএম খায়রুল আলম প্রমুখ। এদিকে সকাল ৮টা ১০ মিনিটে মৈত্রী এক্সপ্রেস-২ খুলনা স্টেশন থেকে কলকাতার উদ্দেশে পরীক্ষামূলক যাত্রা শুরু করে। যশোর জংশনে যাত্রা বিরতি শেষে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে বেনাপোলের পৌঁছায়। খুলনা থেকে ৫টি বগি নিয়ে পরীক্ষামূলক এ যাত্রায় কোনো সাধারণ যাত্রী ছিলেন না। বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তা ও রাষ্ট্রীয় কাজে নিয়োজিত গুরুত্বপূর্ণ ৩৬ জন ব্যক্তি এ ট্রেনের যাত্রী হন, যার নেতৃত্বে ছিলেন বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান যন্ত্রকৌশল প্রকৌশলী ইফতেখার হোসেন।খুলনা ও কলকাতার মধ্যে নিয়মিত ট্রেন যোগাযোগ চালু ভারত ও বাংলাদেশের ‘কানেক্টিভিটিতে’ নিঃসন্দেহে বড় একটি মাইলফলক এবং বাসের চেয়ে ট্রেনের যাত্রা অনেক বেশি আরামদায়ক এবং সময় সাশ্রয়ী বলে বাসের চেয়ে খুলনা-কলকাতা ট্রেন সার্ভিস অনেক বেশি জনপ্রিয় হবে বলে মনে করেন মন্ত্রী।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here