মহিলা সমিতি ও শিল্পকলায় প্রদর্শিত হবে ‘সুরগাঁও’

নিউজ বিডি ডটনেট :সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ও জনপ্রিয় মঞ্চনাটক ‘সুরগাঁও’ এর পরপর দুটি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রখ্যাত নাট্যকার মাসুম রেজার রচনা ও নির্দেশনায় ১৫ জুলাই শনিবার মহিলা সমিতি মঞ্চে ও ১৬ জুলাই শিল্পকলা একাডেমি মঞ্চে প্রদর্শিত হবে নাটকটি।
নাটকটি প্রসঙ্গে মাসুম রেজা বলেন, ‘সুরগাঁওকে আমি বলি মগজবাস্তবতার গ্রাম। একজন লেখকের মগজের যে বাস্তবতা সেই গ্রাম এ নাটকে উঠে এসেছে। এখানে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত একই সরলরেখায় এসে মিলিত হয়। সময়কে এখানে বিবেচনা করা হয় না।’
‘সুরগাঁও’ নামের ওই গ্রামে আনাল ফকির, আসমান, ছুহি, হাক্কা ব্যাপারি, বাঁশিবুড়ি, ওষ্ঠকালা, নীহাররঞ্জন, কাবিল, কুশি ও মুজাহেবদের বাস। গ্রামের গোড়াপত্তনকারী আনাল ফকির ১৮০ বছর আগের কোনো একরাতে হঠাত্ উধাও হন। বাঁশিবুড়ির হাতে দিয়ে যান এক মোহন বাঁশি। বলে যান বাঁশির সুর দিয়ে মানুষের ভেতরের অসুরতাকে দূর করতে। সেই থেকেই বাঁশিবুড়ি থানা থেকে আসামি নিয়ে এসে বাঁশি বাজানো শেখায়। আর আসমান তার চার পুরুষের পরের বংশধর এবং ভবিষত্ দ্রষ্টা। সে দেখে তার ‘চাইর দাদা’ আনাল ফকির আবার গাঁয়ে ফিরছেন। একদিন সত্যিই হাজির হন আনাল ফকির। সময়ের বিপরীতে ১৮০ বছর প্রত্নকাল ভ্রমণ করেন তিনি। পাণ্ডব ভার্যা দ্রোপদী, সক্রেটিসের বন্ধু ক্রিটো ও দামেস্কোর আমীর অমূল্য কিছু উপহার দেন তাকে। কালের বিপরীতে ভ্রমণ ও কালের গর্ভ থেকে মূল্যবান সামগ্রী চুরির অভিযোগে তাম্রসেনার দল ঢুকে পড়ে সুরগাঁওয়ে। কালরক্ষীর পরিচয় দেয়া সেনারা সময়কে শৃঙ্খলায় ফিরিয়ে আনতে চায়। সুরগাঁওয়ে শুরু হয় সুর আর অসুরের দ্বন্দ্ব।
পুরো নাটকজুড়েই ফুটে উঠেছে অতীত ও বর্তমান সমাজের নানা অসঙ্গতি। ধর্মযুদ্ধ, অবিচার থেকে শুরু করে শাসকগোষ্ঠীর নানা অত্যাচারের দৃশ্য।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here