ব্লককেন প্রযুক্তিটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিপ্লবী পরিবর্তন আনতে সক্ষম বলে মনে করা হয়

নিউজ বিডিডট নেট: কার্নেগি মেলন ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞানী ও অধ্যাপক মারসেল জাস্ট এবং তার দল দীর্ঘদিন ধরে মাইন্ড রিডিং মেশিন তৈরির জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এটি মানুষের অনেক দিনের স্বপ্ন। একজনের মনের কথা আরেকজন বলতে পারবে, পড়তে পারবে। বিষয়টা কতটুকু ভালো কিংবা খারাপ হবে তা আমরা এরই মধ্যে বিভিন্ন সায়েন্সফিকশন চলচ্চিত্রে দেখেছি। এই প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিজ্ঞানীরা মস্তিষ্কে এফএমআরআই বা ফাংশনাল ম্যাগনেটিক রেজোনেন্স ইমেজিং ব্যবহার করছেন। আমরা যখন কোনো কথা বলি বা কোনো কিছু চিন্তা করি, আমাদের মস্তিষ্কে তখন বিভিন্ন ধরনের প্যাটার্ন ফুটে ওঠে। এফএমআরআই ব্যবহার করে সেই প্যাটার্নগুলো তুলে বিশ্লেষণ করলেই বোঝা যায় একজন মানুষের চিন্তাভাবনা। কার্নেগি মেলন বলেন, আমাদের প্রত্যেকের মস্তিষ্কই একইভাবে কাজ করে যদিও আমরা ভিন্ন ভাষাভাষী হই না কেন, একটি ইংরেজি ভাষা ব্যবহারকারী ব্যক্তির মনের ভাব বোঝার জন্য তৈরি করা মেশিন দিয়ে একজন মান্দারিন ভাষাভাষী লোকের মনের ভাবও বোঝা যায়। তবে তাদের মতে, এখানে কিছু জটিলতাও রয়েছে। এফএমআরআইয়ের সাহায্যে যে প্যাটার্নগুলো পাওয়া যায় তাতে কাছাকাছি অর্থের বাক্যগুলোর জন্য প্যাটার্নগুলো প্রায় একই ধরনের হয়। যেমনÑ ‘আমি রাগ করেছি’ বা ‘আমি বিরক্ত’ এ ধরনের বাক্যগুলোর জন্য একই ধরনের সংকেত পাওয়া যায়। ফলে নিখুঁতভাবে বাক্যটি উদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু ভবিষ্যতে এ সমস্যা থেকেও মুক্ত হওয়া যাবে।
থ্রিডি হলোগ্রাম : থ্রিডি হলোগ্রাম বলতে লাইট ব্যবহার করে তৈরি দ্বিমাত্রিক ছবিকে ত্রিমাত্রিক ছবি বোঝায়। কিন্তু বর্তমানে বিজ্ঞানীরা থ্রিডি হলোগ্রাম বলতে যা বোঝাচ্ছেন সেই থ্রিডি হলোগ্রাম আর এই থ্রিডি হলোগ্রাম এক নয়। আমরা যে থ্রিডি হলোগ্রামের কথা বললাম এগুলো আকারে ছোট, অল্প আলোতে দেখতে হয় এবং হাত দিয়ে ছোঁয়া যায় না। কিন্তু বর্তমানে বিজ্ঞানীদের মূল লক্ষ্য ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, অগমেন্টেড রিয়েলিটি আর মিক্সড রিয়েলিটির সমন্বয়ে এই হলোগ্রামগুলোকে বাস্তব থেকে বাস্তবতর করে তোলা। যেমনটি টম ক্রুজের মাইনোরিটি রিপোর্টে দেখা যায়, ঘরে বসে হাজার মাইল দূরের অফিসে সশরীরে কাজ করতে পারা!

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*