কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ডাঃ এর ভুল চিকিৎসা শিকার হলেন কণ্ঠ শিল্পী সোনিয়া সাহা শান্তা

রবিউল হোসাইন সবুজঃ সোনিয়া সাহা শান্তা গত ১৭ আগস্ট জ্বর ও মুখে ঘা নিয়ে একজন ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন সে ভেবেছিল তার ডেঙ্গু জ্বর হয়েছে। এরপর সকালবেলা ওই ডক্টর দেখতে এসেছে ওকে কোন টেস্ট ছাড়াই একটি এন্টিবায়োটিক ইনজেকশন দেয়া হয় তার শরীরে (meropenem injection) বেলা 11 টায়। তারপর তার শরীরে আরও রেশ ওঠা শুরু করে তখন রোগী ভয় পেয়ে যায় তারপরে শান্তা ডিউটি ডক্টর কে জানায়, পরে ডিউটি ডক্টর তখন ডক্টর রেজাউল করিম এর সাথে কথা বলে পরবর্তীতে তাকে আর একটি ইনজেকশন দেয়া হয় ( avil injection ) ওই ইনজেকশন দেয়ার পরে তার শরীরের রেশ কিছুটা কমে আসে, তারপর ওই দিন রাত 11 টায় ডঃ রেজাউল করিম ডিউটি ডাক্তারকে কল করে বলে আরেকটি ইনজেকশন পুশ করার জন্য ( Megacilin injection ) তারপরে রাত দুইটা থেকে তার পুরো শরীরে ফোসকা পড়ে যায়, যেমন একটা মানুষকে আগুনে পুড়ে যাওয়া মানুষের মত। তারপর কুমিল্লা মেডিকেল এর ডাক্তাররা তাকে কোন চিকিৎসা না দিয়ে তার ফ্যামিলিকে বলা হয় তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার জন্য একজন ভালো স্কিন ডাক্তার দেখানোর জন্য। তারপর সরাসরি তাকে নিয়ে আসা হয় ঢাকা ধানমন্ডি ইবনে সিনা হাসপাতালে একদিন ইবনেসিনা হাসপাতালে রাখার পর ওখান থেকেও বলা হয় যে এই রোগী এখানে চিকিৎসা হবেনা তাকে বড় কোন আরো অত্যাধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে যদি ওকে বাঁচাতে চান! তারপর স্কয়ার হাসপাতালে দীর্ঘ 22 দিন ধরে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ার পর 10 ই সেপ্টেম্বর শান্তাকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। এখনো শান্তা আশঙ্কামুক্ত নয় আমরা জানি সর্বশক্তিমান উপর আল্লাহ পর একজন ডক্টর মানুষের জীবন বাঁচাতে সাহায্য করে একজন বেখেয়ালি ডক্টর এ কারণে যদি একজন রোগীর জীবনে বিপর্যয় নেমে আসে তাহলে অসহায় মানুষ কার কাছে যাবে ? বাংলাদেশ শিল্পী সমাজ প্রশাসনের কাছে তার সুষ্ঠু তদন্ত বিচারের জোর দাবি জানান।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*