মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ে দখলবাজিতে মেতে উঠেছেন সেনবাগের নুরু- মুখ খুললেই হুমকি !

নিউজ বিডিডট নেট :    নোয়াখালীর সেনবাগের অর্জুনতলা ইউনিয়নের উত্তর মানিকপুর রাজাকানু মোল্লা বাড়ীর নুরুল ইসলাম। নিজেকে একজন মুক্তিযোদ্ধা দাবী করে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছেন। তার অত্যাচারে দিশেহারা সেখানকার বাসিন্দারা। একের পর এক দখল করে চলছেন সেখানকার যায়গা-জমি। সর্বশেষ গত পরশু রাতের আঁধারে দখল করে নেন সময় এক্সপ্রেস নিউজের সম্পাদক ও ঢাকাস্থ সেনবাগ সাংবাদিক সমিতির সদস্য নাঈম সজলের একটি যায়গা। আর এতেই বিপাক বাধে তার! জমিটি দখলের পর বেশ কিছু নিউজ পোর্টালে গুরুত্বের সাথে খবরটি প্রকাশ পায়। জানাযায়, নুরুল ইসলাম নুরু নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা দাবি করে এলাকায় দাপিয়ে বেড়ায়। কেউ তার অপকর্মের বিরুদ্ধে মুখ খুললেই হুমকি দেয় আমি মুক্তিযোদ্ধা আমাকে কেউ কিছুই করতে পারবিনা। এর আগে নুরু তার নিজের বাসস্থানের পাশে একই বাড়ির ইউছূফদের যায়গায় জোর কতে ঘর তোলেন। তারা এর প্রতিবাদ করলেও নুরুর হুমকির মুখে চুপ হয়ে যান। নুরুর সাথে দখলবাজিতে অন্যতম অংশীদার তার ভাতিজা শহিদ ও সেলিম, এবং নাতি পাশের ইউনিয়নের আনোয়ার। মূলত নুরু সকল অপকর্মে এই তিনজনকে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করেন বলে জানাযায়। এর আগে ১০ মার্চ সন্ত্রাসীরা দখলের পায়তারা করলে সাংবাদিক নাঈম সজল ওইদিন রাতেই সেনবাগ থানায় একটি জিডি করেন (জিডি ন১-৪৪০)। এ বিষয়ে তদন্তকারী সেনবাগ থানার এএসআই আবু সুফিয়ান জানান, জায়গাটির ঝামেলা নিয়ে একটি জিডি হয়েছে যা আমি মাইজদি কোর্টে পাঠিয়েছি তদন্তের জন্য। গত ২ এপ্রিল সেখানে গিয়ে দু’পক্ষকে এ নিয়ে ধৈর্য ধরতে বলেছি। তারপর ও বিবাদীরা জবর দখল করেছেন। এ বিষয়ে দখলাকারী নুরুল ইসলাম জানান, আমি মুক্তিযোদ্ধা আমার যায়গায় আমি ঘর তুলেছি কার কি করার আছে? রাতের আঁধারে জবরদখ করে কেন ঘর তুলেছেন এমন প্রশ্নে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। তিনি মুক্তিযোদ্ধা দাবী করে কাউকেই পাত্তা দেননা। গত পরশুদিন রাতের জমি দখলের বিষয়ে জমির মালিক সাংবাদিক নাঈম সজলের মা বিবি আমেনা জানান, আমার নামে রেজিস্ট্রি করা জায়গা সন্ত্রাসীরা রাতের অাঁধারে জবর দখল করে ঘর তুলেছেন। আমি এ বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এই বিষয়ে সাংবাদিক নাঈম সজল জানান, গত ১০ মার্চ আমার মায়ের নামের যায়গাটি দখল করার হুমকি দেয় নুরুল ইসলামের ভাতিজা শহিদ। এর পর আমি তা সেনবাগ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। । পরে তারা গতকাল রাতের আধারে এসে আমাদের জায়গা জবর দখল করে ঘর তুলেছেন। আমরা সবাই মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মান করি কিন্তু কেউ যদি এটাকে ব্যবহার করে দখল বাজীতে মেতে উঠেন তাহলে তো সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করা হবে। মুক্তিযুদ্ধের সন্মান রক্ষার জন্য হলেও এসব সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনা উচিত।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*