চৌদ্দগ্রাম বাতিসা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মীর হোসেন মীরুর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া


মনোয়ার হোসেন মুন্না : চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ১০ নং বাতিসা ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের সুযোগ্য চেয়ারম্যান ছিলেন মীর হোসেন মীরু আজ সকালে তাঁর মৃত্য হয় (ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন) । এক শ্রদ্ধাভাজনের মৃত্যু সংবাদে যেকোনো পরিচয়ের মানুষ শোকার্ত হয়েছে। মন খারাপ করেছে, কষ্ট পেয়েছে, নিকটের সঙ্গে দূরের মানুষেরাও ফেলেছে দীর্ঘশ্বাস। চেনার সঙ্গে অচেনারাও অনুভব করেছে স্বজন হারানোর বেদনা। কেন এই বেদনা, শোক, দীর্ঘশ্বাস? কেন গোষ্ঠী ছাড়িয়ে বিশাল জনগোষ্ঠীকে আক্রান্ত করেছে একটি মৃত্যু? প্রতিনিয়ত দেশে আমার-তোমারের ঠোকাঠুকি চলছে। দেশের ভালোর চেয়ে আপন ভালো প্রতিষ্ঠার প্রাণান্ত চেষ্টা যেখানে অহরহ, ভালো সেখানে অসহায়, অতি করুণ দশায়। তবু বিভক্ত মানুষের একাত্ম হওয়ার সুযোগ জলে ভেসে যায়নি। ভালোকে চিনে নেওয়ার জন্য উপায় কম, তবে মানুষের ভালো চিনে নেওয়ার সাধ্য আছে। একজন ভালো মানুষের মৃত্যুতে সর্বস্তরের মানুষের গভীর শোকার্ততা সে কথাই প্রমাণ করে। বেঁচে থাকাকালে ভালো মানুষের গুণাবলি নিয়ে চর্চা হোক বা না হোক, ভালোর নিজস্ব শক্তি আছে, তার প্রমাণ মিলল মীর হোসেন মীরু মৃত্যুতে। তিনি সাবেক বাতিসা ইউনিয়নের একজন যোগ্য চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচয়ের অনেক মানুষের কাছে বিশেষ আগ্রহের ব্যক্তি হতেই পারেন। বহুকাল ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ততা, তিনি অন্য আর দশজনের মতো ছিলেন না বলে রাজনৈতিক বলয়ের মানুষেরা তাঁকে বিশেষ চোখে দেখতেন। গত কয় মাস আগে আমার ফকিরাপুলস্থ চৌদ্দগ্রাম সংবাদ কার্যালয়ে এসে বলেন বেয়াইকে দেখতে এলাম আর ঢাকায় এসে আপনার সাথে ও প্রিয়নেতা সাবেক সফল রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক মুজিব ভাইর সাথে দেখা না করলে কিছুই ভালো লাগে না দোয়া করবেন আমার জন্য শরীলটা বেশী ভালো যাচ্ছে না। এই দেখাই শেষ দেখা কে জানতো! সবমসময় শিশুর মত সরল হাসি থাকতো তাঁর মুখে। কতজন পারেন এতটা সহজ হতে? আপনি নেই, তবু আপনি রয়েছেন। বেঁচে থাকবেন বাতিসা ইউনিয়ন ততা চৌদ্দগ্রাম উপজেলাবাসীর হৃদয়ে। ভালো থাকুন ওপারে…

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*